52
Shares২০১৮ সালের ‘বিতর্কিত’ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করা তৎকালীন জেলা প্রশাসক (ডিসি)সহ ৩২ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে সরকার। সবশেষ যুগ্ম সচিব (ওএসডি) হিসেবে কর্মরত ছিলেন তারা।
আজ সোমবার (২৭ জুলাই) তাদের বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো এই কর্মকর্তারা বিভিন্ন জেলায় জেলা প্রশাসক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তারা হলেন— পটুয়াখালীর মো. মতিউল ইসলাম চৌধুরী, ভোলার মোহাম্মদ মাসুদ আলম ছিদ্দিক, বরিশালের এস এম অজিয়র রহমান, ফেনীর ওয়াহেদুজ্জামান, খাগড়াছড়ির মো. শহীদুল ইসলাম, ঝিনাইদহের সরোজ কুমার নাথ, পাবনার মো. জসিম উদ্দিন, সুনামগঞ্জের মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ, কক্সবাজারের মো. কামাল হোসেন, রাঙামাটির এ কে এম মামুনুর রশিদ, লক্ষ্মীপুরের অঞ্জন চন্দ্র পাল, চট্টগ্রামের মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন, ময়মনসিংহের মো. মিজানুর রহমান, এ জেড এম নুরুল হক, শরীয়তপুরের কাজী আবু তাহের, নাটোরের মো. শাহরিয়ার, বান্দরবানের মোহাম্মদ দাউদুল ইসলাম, নেত্রকোনার মঈনউল ইসলাম, কুষ্টিয়ার মো. আসলাম হোসেন, কুমিল্লার আবুল ফজল মীর, চাঁদপুরের মো. মাজেদুর রহমান খান, মানিকগঞ্জের এস এম ফেরদৌস, চুয়াডাঙ্গার গোপাল চন্দ্র দাশ, নীলফামারীর নাজিয়া শিরিন, কুড়িগ্রামের মোছা. সুলতানা পারভীন, শেরপুরের আনারকলি মাহবুব, খুলনার মো. হেলাল হোসেন, নরসিংদীর সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন, কিশোরগঞ্জের মো. সারওয়ার মোর্শেদ চৌধুরী, হবিগঞ্জের মাহমুদুল কবির মুরাদ, মো. আলী আকবর ও রাজশাহীর এস এম আব্দুল কাদের।
সরকারের নীতিনির্ধারণী সূত্রে জানা গেছে, আওয়ামী লীগ সরকারকে টিকিয়ে রাখতে ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে ‘বিশেষ ভূমিকা’ রেখেছিলেন জনপ্রশাসনের এই আমলারা। তাদের অনেকেই ’২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থানবিরোধী কর্মকাণ্ডেও জড়িত ছিলেন। তাদের চাকরির বয়স ২৫ বছর পূর্ণ হওয়ায় বিধান অনুযায়ী শিগগির বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হলো। বিসিএস ২০তম ব্যাচের এসব কর্মকর্তা এতদিন ওএসডি (বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) ছিলেন।
ওয়াইএফ/০২