334
Sharesরাজশাহী, কুমিল্লা, সীতাকুণ্ড, রাঙ্গামাটি, হাতিয়া ও পাবনা অঞ্চলসহ ঢাকা, রংপুর, বরিশাল, খুলনা, সিলেট বিভাগের ওপর দিয়ে উপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ।
সূর্যের প্রচণ্ড তাপে অতিষ্ঠ জনজীবন। বেশি কষ্ট পোহাতে হচ্ছে খেটে খাওয়া ও নিম্ন আয়ের মানুষকে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে বলা হয়, মঙ্গলবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে ৩৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
গত ২০ ও ২৫শে এপ্রিল রাজশাহীতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিলো ৪০ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এছাড়া সপ্তাহ ধরেই তাপমাত্রা থাকছে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের উপরে। গরমে ওষ্ঠাগত প্রাণ। বিশেষ করে নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য তা চরম ভোগান্তির। আবহাওয়া অফিস বলছে, এই তাপপ্রবাহ আরো এক সপ্তাহ থাকবে। মে মাসের প্রথম দিকে বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
বৃষ্টি হলেই কমবে তাপমাত্রা। সোমবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় যশোরে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। একদিন পর এ জেলার তাপমাত্রা ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসলেও গরমের তীব্রতা কমেনি। গরমে কাজের প্রয়োজনে যারা ঘরের বাইরে বের হয়েছেন তারাই পড়েছেন বিপাকে।
তাপপ্রবাহ চলছে খুলনা ও বরিশাল বিভাগেও। প্রচণ্ড তাপে কাজ করতে পারছেন না শ্রমজীবী মানুষ। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, কুমিল্লা ও কুষ্টিয়া অঞ্চলসহ রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, সিলেট ও ঢাকা বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা, ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।