178
Sharesবিনা বেতনে কাজ করে যাচ্ছি। একটি দিনের জন্যও আমরা অফিসের কোনও কাজ বন্ধ রাখিনি। অথচ আজ ১১টি মাস ধরে আমরা বেতন-ভাতা বঞ্চিত। পরিবার বাচ্চাদের নিয়ে বড় কষ্টে আছি। এ বিষয়টি নিয়ে আমরা একাধিকবার ভাইস চ্যান্সেলর স্যারের সাথে দেখাও করেছি।
কিন্তু তিনি কেবল আশ্বস্ত করা ছাড়া এতোদিনে কার্যত কোন সমাধান দিতে পারেননি। আমাদের পিঠ দেওয়ালে ঠেকে গেছ। তাই বাধ্য হয়েই আমরা কঠোর আন্দোলনে যাচ্ছি। সিমেবি কর্মচারী পরিষদের সদস্য সচিব নাদিম সীমান্ত জানান, ৩ দফা দাবি আদায়ে আমরা বিভিন্ন কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছি।
দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত ধারাবাহিক কর্মসূচি চালিয়ে যাব। আগামীতে আরও কঠোর কর্মসূচির ডাকা দেওয়া হবে বলে তিনি হুঁশিয়ারি দেন। ৩ দফা দাবি হলো- নিঃশর্তে সকল পর্যায়ের কর্মচারীদের চাকুরী স্থায়ী করণ করতে হবে। প্রায় ১ বছর যাবত বেতন বন্ধ থাকায় কর্মচারীরা মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
তাই অনতিবিলম্বে সকল বকেয়া বেতন-ভাতাদি পরিশোধসহ বেতন-ভাতা নিয়মিত করণ করতে হবে। কর্মস্থলে কর্মচারীদের কাজের পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন অবিলম্বে নিজস্ব স্থায়ী জায়গায় স্থানান্তরের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।